সরাসরি রেডিও সম্প্রচার সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার
০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
কিম ইয়ো জং-এর হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পূর্ব সাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জন

উত্তর কোরিয়ার ১০ ক্ষে/প/ণা/স্ত্র নি’ক্ষে’প: বাড়ছে উ/ত্তে/জ/না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০২:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

কিম জং উনের এই পদক্ষেপ কি বড় কোনো যুদ্ধের সংকেত

আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কোরীয় উপদ্বীপ। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া চলাকালীন পূর্ব সাগরের (জাপান সাগর) অভিমুখে একসঙ্গে ১০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে উত্তর কোরিয়ার সুনান এলাকা থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তারা পিয়ংইয়ংয়ের এই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

যৌথ মহড়া ও পিয়ংইয়ংয়ের হুঁশিয়ারি: দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র গত সোমবার থেকে তাদের বার্ষিক বসন্তকালীন যৌথ সামরিক মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু করেছে। প্রায় ১৮ হাজার সেনার অংশগ্রহণে পরিচালিত এই মহড়া আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উত্তর কোরিয়া বরাবরই এই ধরনের মহড়াকে তাদের দেশে আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে দেখে আসছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, এই মহড়া ‘অকল্পনীয় ভয়াবহ পরিণতি’ ডেকে আনতে পারে।

কূটনৈতিক অচলাবস্থা: সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। কিম জং উন স্পষ্ট জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়াকে তারা আর ‘সহজাত জাতি’ হিসেবে বিবেচনা করবে না। এমনকি সিউলের শান্তি প্রচেষ্টাকে ‘প্রতারণামূলক প্রহসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে পিয়ংইয়ং।

ট্রাম্প-কিম সম্ভাব্য বৈঠক: এই উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মার্চের শেষ দিকে ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় এই শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। কিম জং উন শর্ত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই উত্তর কোরিয়ার ‘পারমাণবিক রাষ্ট্রের মর্যাদা’ মেনে নিতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে আলোচনার প্রস্তাব এবং অন্যদিকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা—উত্তর কোরিয়ার এই দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পিয়ংইয়ংয়ের এই পদক্ষেপকে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগসঃ

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য