কছির আলীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, তৃণমূলে প্রশ্ন

- আপডেট সময়ঃ ০৮:১০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৪২ বার পড়া হয়েছে।

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ৭নং মাথিউরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো:আব্দুরব কছির আলীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
০৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বিয়ানীবাজারের আব্দুরব কছির আলীসহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটের বেশ কয়েকজন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আব্দুরব কছির আলীর সাথে এই তালিকায় হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিরাজগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জেলার আরও ১২ জন নেতার নাম রয়েছে।
দলীয়ভাবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও স্থানীয় রাজনীতিতে এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আব্দুরব কছির আলী বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিলেন। সেই সময়ে তার এই দলবদলকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে গণ্য করে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এখন আবার তাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়ায় তৃণমূলের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। তাদের মতে, যারা কঠিন সময়ে দলের সাথে থাকেননি, তাদের এভাবে পুনর্বাসন করা হলে রাজপথের সক্রিয় কর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাথিউরা ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক কর্মী জানান, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের সম্মান আছে, কিন্তু এলাকার মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে এর প্রভাব কী হবে তা ভেবে দেখা দরকার ছিল।” তবে
আব্দুরব কছির আলীর অনুসারীদের মতে, এটি একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া এবং দলের শক্তি বৃদ্ধিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদ ফিরে পেলেও মাথিউরা বিএনপির তৃণমূলের আস্থা অর্জন করা এখন আব্দুরব কছির আলীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


















