সিলেট-৬ আসনে আ.লীগের ভোট যাবে কার ঘরে?

- আপডেট সময়ঃ ১০:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৯০ বার পড়া হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার–গোলাপগঞ্জ) আসনে দলটির বিপুলসংখ্যক রিজার্ভ ভোট এখনো সক্রিয় রয়েছে। এই ভোট নিজেদের পক্ষে টানতে নানামুখী কৌশলে মাঠে নেমেছে জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। তবে এই আসনের জাতীয় পার্টি মনোনিত লাঙ্গল প্রতীক ও বেশ ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে। সকল ভোটারের কাছে তাদের প্রতীকের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, শেষদিকে তৃণমুল আওয়ামী লীগের নীরব ভোট তাদের পক্ষে পড়বে এমনটা আভাস এই আসনে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে পর্দার আড়ালে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করছেন তারা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার–গোলাপগঞ্জ) আসনে দলটির বিপুলসংখ্যক রিজার্ভ ভোট এখনো সক্রিয় রয়েছে। এই ভোট নিজেদের পক্ষে টানতে নানামুখী কৌশলে মাঠে নেমেছে জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। তবে এই আসনের জাতীয় পার্টি মনোনিত লাঙ্গল প্রতীক ও বেশ ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে। সকল ভোটারের কাছে তাদের প্রতীকের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, শেষদিকে তৃণমুল আওয়ামী লীগের নীরব ভোট তাদের পক্ষে পড়বে এমনটা আভাস এই আসনে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে পর্দার আড়ালে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করছেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের ভোট কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর।
প্রথমত, প্রার্থীর আদর্শিক অবস্থান আওয়ামী লীগের সঙ্গে কতটা সাযুজ্যপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট আসনে ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক। তৃতীয়ত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাদের কর্মীরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি কতটা বৈরী আচরণ করেছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো নির্দেশনা এলে সেটিও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় দেড় বছর পরও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন। অনেকেই বাড়ি ফিরতে পারছেন না; জীবন-জীবিকা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে। এই প্রতিকূল বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছুটা স্বস্তির পথ খোঁজার চেষ্টা করছেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
অন্যদিকে, বিএনপি ও জামায়াত যখন আওয়ামী লীগের ভোট নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছে, তখন আওয়ামী লীগের অনেক কর্মী-সমর্থকও সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমর্থন দিয়ে প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করছেন। এই ভোট প্রাপ্তির জন্য বিএনপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করতে প্রশাসনের কাছেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগের পতনের পর ‘পরিশুদ্ধ’ বা ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগের ধারণা নিয়ে আলোচনা হলেও তা আর এগোয়নি। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন, এমন ধারণাও বাস্তবে রূপ পায়নি। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলো নিজেদের কৌশলে আওয়ামী লীগের ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছে। এতে একদিকে ভোটের হার বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও অন্যদিকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে এই আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতের প্রার্থীদের নজর এখন আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকের দিকে। এই আসনে আগে ছয়বার জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ, এবং তাদের শক্তিশালী ভোটব্যাংক রয়েছে। নির্বাচনি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যে প্রার্থী আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজের দিকে টানতে সক্ষম হবেন তার জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের জন্য কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে বিয়ানীবাজারে ৮৯ কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আহসান ইকবাল বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রসহ সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকলে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বাড়বে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। কোনো ধরনের অপরাধ ঘটলে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হবে।’


















