সরাসরি রেডিও সম্প্রচার সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার
০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট-৬ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ে নির্বাচনি উ-ত্তে-জ-না বা-ড়-ছে

মিসবাহ উদ্দিন :
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪১ বার পড়া হয়েছে।

প্রচারের শেষ সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিলেটের যে কয়টি আসনে জমজমাট লড়াইয়ের আভাস দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে একটি হলো সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসন। প্রচার ও কথার লড়াইতেও এগিয়ে রয়েছে এই আসনটি। সবমিলিয়ে সিলেট-৬ আসনে ভোটের লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এই আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট পাঁচ প্রার্থী। তবে প্রচারে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বড় দুটি রাজনৈতিক দলের সমর্থন নিয়ে মাঠে থাকা হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামি বাংলাদেশ সমর্থিত প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলামও। ভোটের মাঠে নবাগত এই প্রার্থী ইতিমধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছেন। ফলে এ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস দেখা যাচ্ছে।জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা নির্দিষ্ট কোনো দলের সমর্থকের কাছে যাচ্ছি না। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের প্রত্যাশার কথা জানতে চাচ্ছি এবং ভোট প্রার্থনা করছি। আমি মনে করি শুধু জামায়াতের নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশ গড়া সম্ভব নয়। দেশের সব নাগরিককে নিয়ে একটি সুশৃঙ্খল দেশ তৈরি করতে চাই। প্রতিটি ভোটার আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই আমরা তাদের কাছে যাচ্ছি এবং তাদের সমর্থন নিয়েই নির্বাচিত হয়ে তাদের দূর্ভোগ কমানোর পাশাপাশি প্রত্যাশা পূরণের জন্য কাজ করবো।’

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট। কিন্তু দেশ গড়তে হলে শুধু আওয়ামী লীগ বা বিএনপি চিন্তা করলে হবে না; প্রতিটি নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমি দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি ভোটারের কাছে যাচ্ছি। জনগণ আমাকে সাড়া দিচ্ছে এবং তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে চায়। আমি নির্বাচিত হলে সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।’জমিয়তে উলামায়ে ইসলামি বাংলাদেশ সমর্থিত প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে আমি বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জবাসীর সুখ-দুঃখে সঙ্গে আছি। তাদের কাছে গিয়ে সমস্যা শুনেছি এবং নিজের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সমাধানের চেষ্টা করেছি। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, দুই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের পাশে সবসময় থাকবো। প্রচারণা ও উঠান বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বী কর্মী-সমর্থকদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমাদের কর্মী-সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে পরিবেশ অনুযায়ী প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা জয়ের বিষয়ে আশাবাদী।’

সব মিলিয়ে সিলেট–৬ আসনে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত তিন প্রার্থীকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ভোট কোন দিকে যাবে—এটাই শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারণে বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন