দেশি-বিদেশি ২৩ ক্রিকেটার নিলামের আগেই দল পেলেন
- আপডেট সময়ঃ ০২:১৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
- / ৪৩ বার পড়া হয়েছে।

২০১২ সালে যাত্রা শুরু করেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। প্রথম দুই আসরে হয়েছিল ক্রিকেটারদের নিলাম, এরপর থেকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের ভিত্তিতে দলগুলো স্কোয়াড সাজায়। প্রায় এক যুগ পর বিপিএলের দ্বাদশ আসর দিয়ে ফের নিলাম হতে যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে নিলামের অপেক্ষায় আছেন ৪১৫ জন ক্রিকেটার। তবে তার আগেই সরাসরি চুক্তিতে ২৩ জন দল পেয়েছেন।নিলামের নিয়ম অনুযায়ী– সরাসরি চুক্তিতে প্রতিটি দলকে দুজন বাংলাদেশি (‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি) এবং কমপক্ষে এক থেকে দুজন পর্যন্ত বিদেশি খেলোয়াড় দলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেটি কাজে লাগিয়ে ২৩ জনকে দলে নিয়েছে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজি। অর্থাৎ, কেবল একটি দল (চট্টগ্রাম রয়্যালস) এখন পর্যন্ত একজন বিদেশি ক্রিকেটার নিয়েছে। এ ছাড়া বাকিরা দেশি-বিদেশি দুজন করে নিয়েছে সরাসরি চুক্তিতে।
ঢাকা ক্যাপিটালস : গত আসরের মালিকানা ও একই নামে এবারের বিপিএলেও অংশ নিয়েছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজি। তারা স্থানী ক্রিকেটার হিসেবে পেসার তাসকিন আহমেদ এবং ব্যাটিং অলরাউন্ডার সাইফ হাসানকে দলে ভিড়িয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে নিয়েছে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ব্যাটার অ্যালেক্স হেলস ও পাকিস্তানের টপ-অর্ডার ব্যাটার উসমান খানকে। হেলসকে অবশ্য পুরো আসরে নাও পেতে পারে শাকিব খানের দলটি।
রংপুর রাইডার্স : গ্লোবাল সুপার লিগে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা এনে দেওয়া নুরুল হাসান সোহানকে যথারীতি ধরে রেখেছে রংপুর রাইডার্স। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের বাঁ-হাতি তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে তারা শক্তি বাড়িয়েছে। বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে তাদের সঙ্গে সাইনিং করা দু’জনই পাকিস্তানের। একজন ব্যাটার খাজা নাফে এবং অপরজন বাঁ–হাতি লেগস্পিনার সুফিয়ান মুকিম।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস : প্রথমবার নোয়াখালী জেলা থেকে বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়া হয়েছে এবার। তারাও আগেভাগে দল গোছানো শুরু করেছিল। দেশি ক্রিকেটার হিসেবে তারকা ব্যাটার সৌম্য সরকার এবং পেসার হাসান মাহমুদকে নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এ ছাড়া বিদেশি সাইনিংয়ের তালিকায় তাদের প্রথম পছন্দ শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। পরে ক্যারিবীয় বিধ্বংসী ব্যাটার জনসন চার্লসকে নিয়ে দল ভারী করেছে।
সিলেট টাইটানস : নতুন মালিকানায় সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজির নামটিও এবার নতুন। দেশীয় ক্রিকেটার হিসেবে তাদের পছন্দ তারকা অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এবং স্পিনার নাসুম আহমেদ। এ ছাড়া পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটারের ওপর আস্থা করেছে সিলেট টাইটানস। তারকা পেসার মোহাম্মদ আমির ও ওপেনার সাইম আইয়ুবকে তারা দলে ভিড়িয়েছে।
চট্টগ্রাম রয়্যালস : বন্দরনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি দেশীয় ক্রিকেটারের কোটা পূর্ণ করেছে অফস্পিন অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও বাঁ-হাতি স্পিনার তানভীর ইসলামকে নিয়ে। এ ছাড়া কেবল একজন বিদেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি দলে নিয়েছে তারা। পাকিস্তানের রহস্যময় স্পিনার আবরার আহমেদ চট্টগ্রাম রয়্যালসের জার্সি গায়ে জড়ানোর কথা রয়েছে।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : বিপিএলের গত আসরে সবচেয়ে আলোচিত ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজশাহী। যদিও এবার ভিন্ন মালিকানা ও নামে তারা টুর্নামেন্টটি খেলতে নামবে। তারা বাংলাদেশ জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়েছে সরাসরি চুক্তিতে। আর বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে নিয়েছে পাকিস্তানের আগ্রাসী ব্যাটার সাহিবজাদা ফারহান এবং ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজকে।



















