সরাসরি রেডিও সম্প্রচার সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার
০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী আগাম প্রচারণার জঞ্জাল মুক্ত বিয়ানীবাজার

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১১৩ বার পড়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর পোস্টার, ফেষ্টুন বিলবোর্ড সরানোর শর্ত বেধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির দেয়া ৪৮ ঘন্টা পেরোনোর মধ্যেই বিয়ানীবাজার পৌরশহরের যততত্র লাগানো পোস্টার ফেষ্টুন বিলবোর্ড সরানো হয়েছে। বিয়ানীবাজার পৌরশহর থেকে পোস্টার ফেষ্টুন বিলবোর্ড সরানোর তৎপরতা থাকলেও উপজেলার অন্যান্য হাটবাজারে লাগানো এসব প্রচারণা সরানো ধীর গতিতে হলে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পৌর প্রশাসক উম্মে হাবিবা বেশ তৎপর ছিলেন। অনেক জায়গায় নামিয়ে ফেলা হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা গুলো।রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠনো হয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার কথা বলেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পর ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রচার চালানোর সুযোগ রয়েছে। সিলেট জেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা বলেন, ‘ইসির ঘোষণা পত্রে উল্লেখ আছে কোনো কর্মসূচি আয়োজনের আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে পূর্বানুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে, ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার আগ পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, সিলেট-৬ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে একটি সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ এ তৈরি করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থীদের কার্যক্রম আমাদের নজরে রয়েছে। বিয়ানীবাজারের রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক একটি মনোরম ভোটের আয়োজন করবেন এটা আমাদের প্রত্যাশা’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বিয়ানীবাজারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আমান উদ্দিন বলেন,“প্রার্থীদের নিজেদের পোস্টার–ব্যানার সরানোর এই দৃশ্য রাজনৈতির ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় কর্মী–সমর্থকেরা নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছে সচেতন মহল।”

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন