বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের নতুন স্বীকৃতি
মিশিগানে বেগম খালেদা জিয়ার নামে সড়ক অনুমোদন, ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

- আপডেট সময়ঃ ০৩:০০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১০০ বার পড়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রমিক শহরে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে বেগম খালেদা জিয়ার নামেই পরিচিত হবে। এই সিদ্ধান্তকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি এক তাৎপর্যপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও স্ট্রিট থেকে কোনাল্ট স্ট্রিট পর্যন্ত অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাব সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, বর্তমানে এই সিটি কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সক্রিয় উদ্যোগ ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলেই এই ঐতিহাসিক নামকরণ বাস্তবায়নের পথে আসে।
প্রবাসী কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের ইতিহাসের একটি স্থায়ী দলিল। তারা মনে করেন, বেগম খালেদা জিয়ার নাম যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায় আরও দৃশ্যমান হলো।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মিশিগানে বেগম খালেদা জিয়ার নামে সড়ক যুক্ত হওয়াকে প্রবাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকানদের কাছে দেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং জাতীয় নেতৃত্বের অবদান তুলে ধরতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে এটি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তির প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
বহু সংস্কৃতির মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত হ্যামট্রমিক শহরে বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নামে সড়কের নামকরণ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
















