বিয়ানীবাজারে কাজ শিখে বেকার নারী উদ্যোক্তা, নেই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা

- আপডেট সময়ঃ ১১:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
- / ২৩ বার পড়া হয়েছে।

নারীর সাফল্যের গল্প যখন সামনে আসে, তখনই বিয়ানীবাজারে উন্মোচিত হয় আরেক বাস্তবতা। সেটি হলো- ব্যাংকিংসহায়তা পেতে গিয়ে বহু নারী উদ্যোক্তার কঠিন বাধার মুখে পড়া। নীতিগতভাবে নানান প্রণোদনা ও স্বল্পসুদে ঋণের সুযোগ থাকলেও বাস্তবে তার সুফল পাচ্ছেন না অনেকেই। ফলে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ শুরুতেই এ উপজেলায় থেমে যাচ্ছে। তাছাড়া উদ্যোক্তাদের পণ্য বিক্রি ও বিপননের জন্য প্রদর্শনীর কোন ব্যবস্থা নেই। এতে কাজ শিখেও বেকার সময় কাটাচ্ছেন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা।
এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বিয়ানীবাজার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিউটিফিকেশন ও ফ্যাশন ডিজাইনের উপর প্রশিক্ষনের জন্য পুনরায় বিজ্ঞপ্তি জারী করেছে।
সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজারে সফল নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা হাতেগোনা কয়েকজন। অন্যদিকে সামগ্রিকভাবে ব্যবসায় নারীর অংশগ্রহণ পুরুষের তুলনায় খুবই নগণ্য। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়মিত নারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। গত এক বছরে ১২০জন নারী দর্জি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
২০২১ সালে বিউটি পার্লারের জন্য ১৫০ জন ও বøক বাটিকে আরোও ১৫০জন নারী প্রশিক্ষন নেন। এই দু’টি প্রশিক্ষন কর্মসূচি করোনা পরবর্তী বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ৩০ জন নারী প্রশিক্ষনে আছেন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রায় ১২০০ নারী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
রেখা বিশ্বাস উপজেলার চারখাই এলাকার একজন নারী উদ্যোক্তা। তিনি চারখাইয়ে বিউটি পার্লার খুলেছেন। তবে পর্যাপ্ত মূলধনের অভাবে ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ করেন রুমানা আফরোজ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বারবার ব্যাংকে যোগাযোগ করে ঋণ সুবিধা পাননি। অপর নারী উদ্যোক্তা আছমা বেগম বলেন, কাজ শিখেছি। পণ্য তৈরী করছি। কিন্তু প্রদর্শনীর আয়োজন করতে নানা বাধার সম্মুখিন হই।
স্কুল শিক্ষিকা মরিয়ম আক্তার জানান, ‘দেশের মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বেশি নারী। তাদের অর্থনীতির মূলধারায় পূর্ণ অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি- কোনোটিই বাস্তবসম্মত নয়। এরই মধ্যে বহু নারী উদ্যোক্তা নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ রেখেছেন।’
















