ঢাকা | বঙ্গাব্দ

শ্রীল প্রভুপাদের ১২৯তম আবির্ভাব তিথি মহোৎসব

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 17, 2026 ইং 4 বার পঠিত
ছবির ক্যাপশন:
ad728

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ-ইসকন প্রতিষ্ঠাতা আচার্য, বিশ্বজনীন আধ্যাত্মিক জাগরণের অগ্রদূত শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ১২৯তম শুভ আবির্ভাব তিথি রবিবার (১৭ আগস্ট) সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন ইসকন কেন্দ্রে উদযাপিত হয়েছে।

সিলেট ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয় অভিষেক অনুষ্ঠান ও মহিমা কীর্তনের ধ্বনিতে। শ্রীল প্রভুপাদের চরণকমলে সহস্র লাল গোলাপ নিবেদন করা হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ভক্তদের পাঠ করা অফারিং লেটার, যেখানে প্রত্যেকে প্রভুপাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

মহোৎসবের সারা দিনব্যাপী আয়োজন ও কার্যক্রম ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ ও ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ পরিচালনা করেন, যা অনুষ্ঠানকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করেছে। ভক্তরা মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন এবং বলেন, “প্রভুপাদের জীবন ও শিক্ষা আমাদের জন্য জীবনের সঠিক দিশা। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে আমরা মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারি।” সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় গৌরসুন্দর আরতি, শ্রীল প্রভুপাদ কথামৃত পাঠ, নাটক, কেক নিবেদন এবং ভক্তদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ভক্তদের উপস্থিতি ও উৎসাহ মহোৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৬৫ সালে মাত্র সাত ডলারের সম্বল নিয়ে আমেরিকায় পৌঁছান। সেখানে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), যা আজ বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর অসামান্য অবদানে লাখো মানুষ আধ্যাত্মিক জীবনের দিকে আকৃষ্ট হয়েছে।

আজকের মহোৎসব প্রমাণ করে, প্রভুপাদের শিক্ষা শুধু ধর্মীয় অনুশাসন নয়, বরং মানবতার জন্য এক দিশারী। সহমর্মিতা, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা এবং নৈতিক জীবনাচরণের মাধ্যমে সমাজকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ করার বার্তা তিনি আজও বিশ্ববাসীর মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

সিলেট ইসকন মন্দিরে এই মহোৎসবটি ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উদযাপনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থান পেল।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Sylhet 21

কমেন্ট বক্স