চ্যাট লোড হচ্ছে...

এপ্রিলে কর্মী নেবে জাপান, বাংলাদেশিরা স্থানীয়দের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন: মন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার:
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 19, 2026 ইং 128 বার পঠিত
ছবির ক্যাপশন:
ad728


বাংলাদেশ-জাপান দুই দেশের মধ্যে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত নতুন চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ তারিখ থেকে এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান। এই চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ৫ (পাঁচ) বছর। মেয়াদ শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে সামগ্রিক মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টার পর গত ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির পূর্ণ নাম ‘মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট’ (ইএসডিপি-এমওসি)।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব। অন্যদিকে, জাপানের পক্ষে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।

মন্ত্রণালয়ের মতে, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও চুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তিটির মূল সুবিধাগুলো তুলে ধরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। এর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, যার ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তির আওতায় কর্মীরা জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষাপ্রাপ্ত হবেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে নারী বিদেশি কর্মীদের প্রতি গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো ধরনের চাকরিচ্যুত বা বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসূতির কারণে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। এই চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।