বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের মুক্তারপুর (রুগনপুর) এলাকায় রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে ‘আত্ব-তাকওয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে প্রকল্পস্থলে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক এমপি।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তিনি রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকে’র চেয়ারম্যান ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী আলী আহমদ নেছাওর সহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগতভাবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্টের সহসভাপতি ছানাওর আহমদ সিতাব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মো. জিল্লুর রহমান জিলু ও প্রজেক্টের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক শাহ মো. হেলাল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল আলম, আত্ব-তাকওয়া প্রজেক্টের অন্যতম ফাউন্ডার ও সহসাধারণ সম্পাদক ছহুল এ মুনিম, ফাউন্ডার ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হক আবু, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জয়নাল আবেদীন, বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ সোহেল, লালাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল চৌধুরী সিফতা,
দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাফিজ আব্দুল হাদী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলম পিন্টু, বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামীম আহমদ, বালাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আমির আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার তরুণ-তরুণীদের কর্মমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে 'আত্ব-তাকওয়া’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে একটি মেটারনিটি ক্লিনিকের কাজ শুরু হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ (আইসিটি –২), বাংলাদেশের এর– চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ওই ক্লিনিকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এছাড়াও প্রকল্পের আওতায় ওরফানেজ হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও নার্সিং হোম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।