
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং থানার কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। অথচ সম্প্রতি তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেইক ফেসবুক আইডি ও কিছু অনলাইন গণমাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এ বছরের আগস্ট মাসের ৩ তারিখ যোগদান করে মাত্র ৬৯ দিনের কার্যক্রমে চুনারুঘাটে নজিরবিহীন অগ্রগতি ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে মাত্র ৬৯ দিনেই চুনারুঘাট থানার আইনশৃঙ্খলায় নজরকাড়া পরিবর্তন এসেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ দমনে দেখিয়েছেন সাহসিকতা ও দক্ষতা।
এই সময়ের মধ্যে তিনি—সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি,মাদক কারবারি ও মাদকসেবী, ছিনতাইকারী, গরু চোর, চোরচক্র, প্রতারক ও মহাসড়ক-নির্ভর ডাকাতচক্র, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সহ প্রায় শতাধিকের বেশি অপরাধীকে গ্রেফতার করেছেন। ফলে আসামিদের আটক করে জনগণের আস্থা অর্জনে সফল হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই অপরাধীদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নিয়ে এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়েছে। নিয়মিত টহল, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের কারণে অপরাধীরা আগের মতো সক্রিয় হতে পারছে না।
এছাড়া, থানাকেন্দ্রিক দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। ফলে সাধারণ মানুষ এখন মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি থানায় এসে আইনি সেবা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা পুলিশের প্রতি জনসাধারণের আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অনেকের অভিমত।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “চুনারুঘাট মাদক নির্মূল সম্ভব একমাত্র সাইফুল স্যারের হাত ধরেই। তিনি যুবসমাজের রক্ষাকবচ।”
এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, “ভালো মানুষ হওয়াই এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ। অথচ সাইফুল ইসলাম দিন-রাত চুনারুঘাট বাসীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত।”
সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বগুণে অনন্য ওসি সাইফুল ইসলাম একজন বিনয়ী, সৎ ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা। চুনারুঘাটের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। তার মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও অপরাধ দমনে দক্ষতা চুনারুঘাট থানাকে এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছে।
এই দেশে যখন একজন নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা তার সততা ও সাফল্যের কারণে জনস্বার্থে কাজ করে যান, তখনই একটি সুবিধাবাদী মহল তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সেই বিরল দৃষ্টান্ত, যিনি স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
সচেতন মহলের বক্তব্য: "অপরাধী ও স্বার্থান্বেষী একটি মহল নিজেদের অবৈধ সুবিধা বন্ধ হওয়ায় ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।"
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভুয়া অনিবন্ধিত আইটিভি ফেসবুক পেজ ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে ওসি মোঃ সাইফুল ইসলামকে জড়িয়ে কিছু নেতিবাচক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে সেগুলোকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও 'অপপ্রচার' বলে দাবি করেছেন স্থানীয় একাধিক সচেতন নাগরিক।
তাদের ভাষ্য, নামধারী কথিত সাংবাদিক মাসুদের সঙ্গে আরো কয়েকজন কথিত সাংবাদিক ও চুনারুঘাট থানার সাবেক ওসি শফিকুল ইসলাম মিলে একত্রে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চুনারুঘাটের কয়েকজন এসআইয়ের ঘুষ বানিজ্য ভিডিও ও অডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলো সাবেক ওসি শফিকুল ইসলাম থাকাকালীন সময়ের ঘটনা গুলো এখন আলোচনায় এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিব্রত ছড়ানো হচ্ছে। বর্তমান ওসি সাইফুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগই এখন পর্যন্ত যথাযথ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
সর্বসাধারণের প্রত্যাশা— অপরাধ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানার চলমান এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের জাল ছিন্ন করে সত্যের শক্তিতেই তিনি এগিয়ে যাবেন।