এদিকে, বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘আসামি বাদীর কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা নিয়েছেন, এখন আবার যৌতুক চাচ্ছেন। তিনি অপরাধ করেছেন।’আদালত আসামি মূসার কাছে জানতে চান, তিনি কী করেন। উত্তরে মূসা জানান, তিনি আগে ব্যাংকে চাকরি করতেন, তবে এখন বেকার। শুনানিতে তিনি জানান, তিনি সানাইয়ের সঙ্গে সংসার করতে চান।আদালতে দাঁড়িয়ে সানাই মাহবুব বলেন, ‘আমি আমার শাশুড়িকে সম্মান করি। কিন্তু সংসারে স্বামী যেমন স্ত্রীকে দেখাশোনা করে, সেই দায়িত্ব নিতে হবে। আমি নিজে বাসা ভাড়ার বড় একটা অংশ দিয়ে এসেছি। এখনো সে টাকা চাইছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে আমার কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা নিয়েছে। আমার ভয়েস রেকর্ড আছে। এখন আবার টাকা না দিলে সংসার করবে না। আমি কোথা থেকে টাকা আনব?’
শুনানি শেষে বিচারক বলেন, ‘মামলাটি আপোসযোগ্য। আসামি সংসার করতে চায়, তাকে সুযোগ দিতে হবে।’ এরপর আপোসের শর্তে জামিন মঞ্জুর করা হয়।বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আগামী মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) উভয়পক্ষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন।
২০২২ সালের ২৭ মে সানাই মাহবুব ও আবু সালেহ মূসার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনের পরিবার থেকে ১৫ ভরি স্বর্ণ ও আসবাবপত্র দেওয়া হয়। পরে ব্যবসার কথা বলে স্বামী মূসা সানাইয়ের কাছ থেকে ১২ লাখ এবং তাঁর বাবার কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা নেন।এ অভিযোগে বলা হয়, পরবর্তীতে আরও ২২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। টাকা না দিলে সানাইকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সংসার না করার হুমকি দেওয়া হয়।
পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সানাই একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন। এমনকি গত ৭ ও ২২ জুলাই মূসাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু এরপরও মূসা সানাইয়ের বাসায় গিয়ে টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ।
Sylhet 21