সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে মাঠে কৃষাণ-কিষাণীদের ব্যস্ত সময় কাটছে।কৃষকরা ধান কেটে জমির পার্শ্ববর্তী মাঠে সাজিয়ে রাখছেন।শ্রমিক সংকট থাকায় পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের নিয়ে নিজেরাই কাটছেন ধান। জমিতে পানি জমায় অনেক এলাকায় ব্যবহার করা যাচ্ছে না ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন্ড হারভেস্টার। কৃষাণীরা মাড়াই-ঝাড়াই হওয়া ধানের খড় কুটা পরিস্কার করে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন। কেউ আবার শুকানোর পর গোলায় তোলার জন্য ধান বস্তায় ভরছেন।কেউ আবার মাঠজুড়ে রোদে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছেন সোনালী খড়।তবে এ বছর শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের বাড়তি মুজুরী ভাবাচ্ছে কৃষকদের।অনেকেই আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে অন্য যেকোন বছরের চেয়ে বোরোর বাম্পার ফলন ঘরে তুলবেন এমনটাই আশা করছেন।
কৃষি অফিস কর্তৃক জানা যায়, চলমান বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় ৭২৯৬ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। ব্রি-ধান ৮৯ ব্রি-ধান ৯২ ও ৭৪ জাতের ধান চাষ করেছেন তারা।
কৃষক কবির মিয়া বলেন, নিজের এবং পরিবারের পুষ পু সদস্যদের পরিমে এবার ভাল ফলন হয়েছে। কিছুটা ধান কাটা
হয়েছে। তবে মিক সংকট ও মিকের বাড়তি মুজুমু রী জু এবং যেকোন সময় আবহাওয়া তিলে যেতে পারে সে বিষয়টিও
চিন্তায় ফেলেছে আমাদের এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চ রায় বলেন, এবারে বোরো ধানের অবস্থা সন্তোষজনক। বর্তমানে ধান কর্তন
হয়েছে। বিশেষ করে জীবনকালীন ধান এ কর্তনের আওতায় রয়েছে। যে সব ধান কাটা হচ্ছে হের তি প্রায় সাড় ৫ টন
থেকে ৬ টনের মতো ফলন পাওয়া যাবে।আশাকরি মৌম শেষে কৃষকরা ভাল ফলন পাবেন।
Sylhet 21