নিহত অপূর্ব (৩০) ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার খোকন মিয়ার ছেলে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজু্ল ইসলাম রাজিব জানান, রাতে দেশব্যাপী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে চাষাঢ়া এলাকায় মিছিল হয়। যেখানে ছিলেন অপূর্বও। মিছিল শেষে অপূর্ব, রাজিবসহ বেশ কয়েকজন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের দিকে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে অপূর্ব পিছে পড়ে যায়।
ওই সময় বালুর মাঠ এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে দুবৃর্ত্তরা একজন মুরুব্বির সঙ্গে ঝগড়া করছিল। বিষয়টি দেখে অপূর্ব তাদের থামাতে যায়। এ সময় দুবৃর্ত্তদের মধ্যে থেকে একজন অপূর্বের বুকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা সম্রাট নামে একজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয় ও অপূর্বকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘খানপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানিয়েছেন, অপূর্বকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালটিতে গণপিটুনিতে আহত আরেকজনকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আহত সম্রাটকে আটক করা হয়।’
Sylhet 21