দিরাইয়ে সীমান্তিকের উদ্যোগে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন

    মােঃ হাবিব আহমদ
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 4, 2026 ইং 24 বার পঠিত
দিরাইয়ের গচিয়া গ্রামে সীমান্তিকের উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ ও অংশগ্রহণকারী মায়েরা। ছবির ক্যাপশন: দিরাইয়ের গচিয়া গ্রামে সীমান্তিকের উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ ও অংশগ্রহণকারী মায়েরা।
ad728
বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃদুগ্ধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্তন্যদানকে উৎসাহিত করতে বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সপ্তাহটি উদযাপন করা হচ্ছে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া গ্রামে সীমান্তিক (এসএমসি কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রাম) এনজিওর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুর মায়েদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সীমান্তিক দিরাই উপজেলা সুপারভাইজার শামসুর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডা. নিশাত তাসনিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. নিশাত তাসনিম বলেন, শিশুর জীবন রক্ষা, সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। 

মায়ের দুধ শিশুর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, বিভিন্ন সংক্রমণ ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয় এবং মা-শিশুর মধ্যে গভীর বন্ধন তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত। পাশাপাশি ছয় মাস পর বয়স উপযোগী পরিপূরক খাবারের সঙ্গে দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সীমান্তিকের এমএমএস প্যারামেডিক, কমিউনিটি মোবিলাইজার, গোল্ড স্টার মেম্বার, গর্ভবতী নারী, নবজাতকের মা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।