সিলেটের কানাইঘাটে ইউএনওর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের কার্যক্রমের ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিকরা। এ সময় তাঁদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তা ওয়াহিদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন উঠল, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
এদিকে, কানাইঘাটের বিভিন্ন ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কেউ কোনোভাবে সহযোগিতা করছেন কি না, সে বিষয়েও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা জরুরি।
জনস্বার্থে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বাধার মুখে পড়তে হলে তা উদ্বেগজনক। সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল কি না, কিংবা কোনো অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে কি না—তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
আমরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগের সুষ্ঠু যাচাই এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানাই। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মতামত নিয়ে পূর্ণাঙ্গ সত্য উদ্ঘাটন করা জরুরি।
সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের পথ বাধাগ্রস্ত না করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করাই হোক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
Sylhet21 চ্যাট