সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে পুলিশ হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্তসহ ৭ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। এ ঘটনায় এক কিশোরীকে সেফ হোমে প্রেরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে অভিযুক্ত ৭ জনকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম।
দণ্ডিত আসামি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (২০), তাঁর বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী (৪৬), তাঁর মা শাম্মী আক্তার পলি (৩৮) ও তাঁর ভাই শাহরিয়ার চৌধুরী পিয়াল (২০), দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে ইফাত আলম রাবিদ (২১), ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) এবং গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর গ্রামের ওলিওর রহমান মানিকের ছেলে তাকবির রহমান তানহির (২০)।
এদিকে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবরিনা চৌধুরী রূপকথা (১৬) নামের এক কিশোরীকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সেফ হোমে প্রেরণ করেছে নারী ও শিশু আদালত।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গভীর রাতে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তিনি অসুস্থ বোধ করলে তাকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পরবর্তীতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে প্রিন্সের পরিবারের লোকজন ও বন্ধুবান্ধবরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাসপাতালে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা চালান প্রিন্স। এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই (নি.) মো. ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে প্রিন্সসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
Sylhet21 চ্যাট