মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারের কল্যাণ, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একইসঙ্গে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও ঐক্য এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করেন উপস্থিত হাজারো হাজি।
আরাফার ঐতিহাসিক ময়দানে দিনভর ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ায় মশগুল ছিলেন আল্লাহর মেহমানরা। এসময় ধর্মমন্ত্রী হাজিদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সার্বিক সেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
উপহার বিতরণ শেষে ধর্মমন্ত্রী দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের জন্য বিশেষ দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। আল্লাহ যেন প্রধানমন্ত্রীকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র, অপশক্তি ও অকল্যাণ থেকে হেফাজত করেন।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, পবিত্র হজ শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবকল্যাণের এক অনন্য শিক্ষা। তিনি হাজিদের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
এদিকে আরাফা শেষে মিনায় অবস্থানরত হাজিদের সার্বিক পরিস্থিতিও নিয়মিত তদারকি করছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বিভিন্ন তাঁবু পরিদর্শন করে হাজিদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা হাজিদের খোঁজখবর নিতে পৃথক প্রতিনিধি টিমও নিয়োজিত করা হয়েছে।
হাজিদের তাঁবুগুলোতে হজের মাসআলা-মাসায়েল, দোয়া, তিলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা অব্যাহত রাখারও পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
Misbah uddin