ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পবিত্র ঈদুল আজহায় সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশ, অলি-গলিতে চলছে কুরবানির ধুম

    Misbah uddin
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 28, 2026 ইং 23 বার পঠিত
ছবির ক্যাপশন:
ad728
স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট নগরজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ঈদের নামাজ শেষে নগরীর পাড়া-মহল্লায় শুরু হয়েছে পশু কুরবানি। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন অলিগলিতে পশু জবাই ও মাংস কাটার দৃশ্য দেখা গেছে।

ঈদ জামাত শেষে বাসায় ফিরেই কুরবানির পশু জবাইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন নগরবাসী। কোথাও পরিবারের সদস্যরা, কোথাও প্রতিবেশীরা মিলেমিশে কুরবানির কাজ সম্পন্ন করছেন। ফলে পুরো নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ।

সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাসাবাড়ির গেইটের বাইরে নারী, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাংস সংগ্রহের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজে অংশ নিচ্ছেন। অনেক এলাকায় প্রতিবেশীরা একে অপরকে সহযোগিতা করে কুরবানি সম্পন্ন করছেন।

তবে পেশাদার কসাই সংকটের কারণে অনেকে ঈদের দ্বিতীয় দিনে কুরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, কসাইদেরও কাটছে ব্যস্ত সময়। সকাল থেকে একের পর এক বাসা ও মহল্লায় গিয়ে পশু জবাই ও মাংস কাটার কাজ করছেন তারা।

এদিকে, নানা কারণে শুরুতে সিলেটের কওমি মাদরাসাগুলো কুরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত নিলেও প্রশাসনের আহ্বানে শেষ পর্যন্ত তারা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম কুরবানির পশুর চামড়া দ্রুত বিক্রির আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কোনো অবস্থাতেই যেন এই জাতীয় সম্পদ নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।”

‘কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ’-এর সদস্য সচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, জেলা প্রশাসকের আহ্বানে আমরা চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। তবে ঈদের ছুটিতে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি চলে যাওয়ায় জনবল সংকট তৈরি হয়েছে। নগরবাসীকে অনুরোধ করবো, তারা যেন দানের চামড়া নিকটবর্তী মাদরাসায় পৌঁছে দেন। যেসব মাদরাসায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা রয়েছে, সেসব মাদরাসা ঈদের দিনই চামড়া সংগ্রহ করবে।


নিউজটি আপডেট করেছেনঃ Misbah uddin

কমেন্ট বক্স