একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে এতদিন অন্যের সাফল্য ও জীবনসংগ্রামের গল্প তুলে ধরেছেন তিনি। তবে এবার নিজের জীবনের গল্পটা নিজেই নতুন করে লিখছেন বিয়ানীবাজারের পরিচিত মুখ এম. এ. ওমর। পেশার পাশাপাশি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ভালোবাসা ও কঠোর পরিশ্রমে তিনি গড়ে তুলেছেন খাবারের অভিজাত প্রতিষ্ঠান ❝স্বাদ কুটির❞।
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত এই ‘স্বাদ কুটির’ এখন আর কেবল একটি সাধারণ খাবারের দোকান নয়—এটি একটি দম্পতির স্বপ্ন, সাহস ও নিরলস পরিশ্রমের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।
প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, এখানে রয়েছে নানা রকমের শৌখিন ও সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। খাবারের উচ্চমান ও স্বাদের পাশাপাশি গ্রাহকদের মূল আকর্ষণ নজর কাড়ছে পরিচ্ছন্ন ও চোখজুড়ানো পরিবেশ। পরিবার-পরিজন কিংবা প্রিয়জনদের নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটানো এবং মানসম্মত খাবার উপভোগ করার জন্য এটি ইতোমধ্যে এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
উদ্যোগটি সম্পর্কে জানতে চাইলে এম. এ. ওমর জানান, উদ্যোক্তা হওয়ার এই যাত্রায় তাঁর সবচেয়ে বড় প্রেরণা ও সহযাত্রী তাঁর স্ত্রী। দু’জনের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ছোট্ট উদ্যোগটি ডালপালা মেলতে শুরু করেছে।
স্থানীয়দের মতে, ‘স্বাদ কুটিরের’ এই পথচলা শুধু একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গল্প নয়; এটি স্বপ্ন দেখা, ঝুঁকি নেওয়া এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার এক অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ। স্বাদে, পরিবেশে ও চমৎকার আতিথেয়তায় স্বাদ কুটির খুব দ্রুতই উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় ঠিকানা হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।
লেখক:
রুহিন চৌধুরী ফরহাদ
উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও মানবাধিকারকর্মী
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, সিএএইচকে এডুকেশন অ্যান্ড স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট।